Tue. Dec 10th, 2019

শীতকালীন অসুখ খাও হোমিওপ্যাথি ঔষধ

1 min read

ডাঃ তারক মজুমদার(কনসালট্যান্ট হোমিওপ্যাথ)। মোঃ- ৯৩৩৯৭৭৩৬২৪ /৯৯০৩৮৬০৩৯৪
************************
শীত আসতে না আসতেই কম বেশি বহু মানুষ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হন। দিনের বেলায় কখনো গরম, আবার রাত্রে ঠান্ডা ,শীত শীত ভাব। সাথে উত্তুরে হাওয়া। ঠিক এই সময়েই শীতকালীন বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সমস্যার কথা অতি সংক্ষেপে উল্লেখ করছিঃ—
(ক) “নাক চোখ দিয়ে জল ,সাথে প্রবল হাঁচি
এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেলেই বাঁচি।।”

শীতঢ় বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমানের তারতম্যের জন্য এই সময় শরীরে ঘাম কম হয়। শরীরে জমা জল চোখের ল্যাকরিম্যাল ডাকট (নালী ) দিয়ে বা নাসিকা দিয়ে নির্গত হয়। এর সাথে সাইনাসের প্রদাহের জন্য হাঁচি বেশি হয়।

(খ)“জ্বর জ্বর ভাব ,সাথে পাতলা কিংবা ঘন সর্দি
সমস্ত শরীর ব্যথা ,মাথা ব্যথা ,দেখাও শীঘ্র বদ্যি। ”

রক্তে আর-বি-সি মাত্রার পরিমাণ হ্রাস পেলে (এ্যানিমিয়া কিংবা রক্তাল্পতা )ও ডাব্লু-বি-সির পরিমাণ হেরফের হলে রক্তে ইয়োসিনোফিল এর পরিমাণ হ্রাস পেলে শরীরে উক্ত লক্ষণ সমুহ প্রকাশ পায়। শীতকালে আর্দ্র বায়ুর প্রভাব ও উপরিউক্ত রোগের কারণ ।

(গ) “ঔষধ খেলেই হবে তোমার জয়
বায়ু পরিবর্তনে যতই হোক উদরাময় । ”

বায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে পেটে বায়ু সঞ্চয় সহ কলিক পেন বদ হজম তরল মল হয়ে থাকে। শীত কাঢ়ে তৈলাক্ত খাদ্য ও রিচ্ ফুডস্ খেয়েই অধিকাংশ মানুষের পেটের রোগ দেখা দেয়।

(ঘ) “ঔষধ খেয়ে তারাতারি রোগ ভাগাও
শুষ্ক কাশি সহ যতই হোক টনসিঢ় প্রদাহ। ”

খুশ খুশে কাশি সহ গলা ব্যথা ,কোন খাবার কিংবা জল খেতে গেলে গলায় ব্যথা হয়। বিছানায় শুয়ে পড়লেই কাশির বৃদ্ধি। ফ্যারিংজাইটিসের জন্য শুষ্ক কাশি হয়ে থাকে।

(ঙ) “শীত শীত ভাব যদি থাকে জ্বর
চিন্তায় যেন বুক করে ধরফর। ”

মাথার যন্ত্রণা সহ সমস্ত শরীরে যন্ত্রণা শীত শীত ভাব সহ জ্বর। জল ছুলেই ছ্যাক ছ্যাক করে ওঠে সমস্ত শরীর। এর সাথে বলা যায় যারা ড্যাম্প এবং স্যাঁত স্যেঁতে জায়গায় বসবাস করেন তাদের ও জ্বর সহ জ্বর ঠূটো হয়ে থাকে।

(চ) “জীবন করে ঝালাপালা
দাঁতের যন্ত্রণা মাড়ি ফোলা। ”

শীতের প্রকোপে দাঁতের যন্ত্রণা মাড়ি ফোলা কর্ণ মূল প্রদাহ হয়ে থাকে। দাঁতে শির শির ভাব । ঠানডা জল গড়ম জল কোন টাই দাঁতে লাগাতে পারেনা। কানে কন কন যন্ত্রণা । কিছু কিছু সময় দাঁতের ও মাড়ির যন্ত্রণায় রোগী অস্হির হয়ে পড়ে।

হোমিও চিকিৎসাঃ- রোগের প্রথম অবস্হায় একোনাইট ন্যাপ । তারপর রোগের লক্ষণ অনুযায়ী বিভিন্ন ঔষধ আছে এই সমস্যায়। তবে কখনোই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ খাওয়া বা খাওয়ানো উচিৎ নয়। কারণ এক জন চিকিৎসক তাঁর অভিজ্ঞতার আলোকে ঔষধের শক্তি ও মাত্রা ব্যবহার করে থাকেন।

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ–
********************
কলকাতা ইমিউনো মেডিকেয়ার এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট।
২/১ ছকু খানসামা লেন। কল-৭০০০০৯
(শিয়ালদহ জগৎ সিনেমা হলের পাশে)। সময়ঃ-প্রতি সোমবার- দুপুর ১২টা–২টো।
(পূর্বে যোগাযোগ করে আসবেন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Powered by KTSL TECHNOLOGY SERVICES PVT LTD(7908881231).