Thu. Dec 12th, 2019

গোঘাটের দামোদরপুরে রমরমিয়ে চলছে দেশী মদের ভাটিখানা

1 min read

সন্দীপ দেঃ- দামোদরপুর হাইস্কুল মাঠের পূর্ব প্রান্তে সন্ধ্যা হলেই বসে নিয়মিত মদ্যপানের আসর। শুধু তাই নয় পিচ রাস্তার দু দিকে এবং দারকেশ্বর নদীর বাঁধের উপরে প্রতিদিন চলছে দেদার মদ্যপানের আসর। পথচলতি মানুষের বেজায় অসুবিধা হলেও প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না কেউ। দামোদরপুর আরামবাগ পিচ রাস্তার উপর দিয়ে, বাস স্ট্যান্ড থেকে হেঁটে বা সাইকেলে যাতায়াত করতে হয় স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী, গৃহবধূ অফিস ফেরত কর্মী এবং সাধারন মানুষকে। সন্ধ্যার পর স্কুল ছাত্র ছাত্রী ও কলেজ ছাত্রীদের বাড়ি ফেরাটা খুবই আতঙ্কের। সাধারণ মানুষ এই নিয়ে ভীত সন্ত্রস্ত। সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম্যে যে কোনদিন বড়সড় ক্রাইম হতে পারে এখানে। শুধু তাই নয় এলাকায় রয়েছে বেআইনি দেশি মদের ভাটি। প্রশাসন সব জানা সত্ত্বেও এই সমস্ত ভাটি গুলিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে না। এলাকার মুদির দোকানে বিক্রি হচ্ছে মদ তৈরীর সরঞ্জাম যেমন ঝোলাগুড়, নিশাদল ও অন্যান্য উপকরণ। যত্রতত্র পড়ে রয়েছে দেশি মদ এর পলিথিন প্যাকেট যা পরিবেশের পক্ষে খুবই ভয়ঙ্কর। হাই স্কুল থেকে ৫০০ মিটার দূরত্বের মধ্যেই রয়েছে বিদেশী মদ বা ফরেন লিকার এর দোকান। এই দোকানটি অন শপ। এই দোকানের মধ্যেই বসে মদ্যপান করার নিয়ম রয়েছে কিন্তু তা সত্ত্বেও দোকানদার অফ শপ এর মত বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুরো বোতল মদ বিক্রি করেন যা সম্পূর্ণ বেআইনি। শুধু তাই নয় মদ কেনার সময় দোকানদার কাউকে কোনো বিল বা রশিদ দেন না বলেও অভিযোগ।যার ফলে, রাস্তায় বসে দেদার মদ্যপান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। আবগারি দফতরের এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।বেশ কিছুদিন আগে দামোদর পুর হাই স্কুলের দুই ছাত্রীকে মদ্যপ অবস্থায় দুই যুবক শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিল। গোঘাট থানার পুলিশ মাঝেমধ্যে সন্ধ্যায় ধরপাকড় শুরু করলেও তাদের থানায় না নিয়ে গিয়ে মাঝ রাস্তায় টাকা নিয়ে অথবা রাজনৈতিক নেতাদের সুপারিশে নামিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। গতকাল সন্ধ্যায় গোঘাট থানার পুলিশ, গোপাল দলুই নামে এক দেশী মদকারবারীকে কে হাতেনাতে ধরে| কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সে কোন এক নেতার সুপারিশ এ ছাড়া পেয়ে যায়।সঞ্জয় মান্না নামে এক দেশী মদ বিক্রেতাকেও পুলিশ আটক করে। পুলিশ যদি এলাকায় নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা না করে তাহলে এলাকায় শীঘ্রই আইন-শৃংখলার ভয়ানক অবনতি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Powered by KTSL TECHNOLOGY SERVICES PVT LTD(7908881231).