Tue. Dec 10th, 2019

“হাইপার টেনশান এবং হোমিও চিকিৎসা

1 min read

স্বনামধন্য হোমিও চিকিৎসক ডাঃ তারক মজুমদার এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে “হাইপার টেনশান এবং হোমিও চিকিৎসা সংক্রান্ত আলোচনায় বেশ কয়েকটি প্রশ্নের সরল সমাধান খুঁজে বার করলেন আমাদের প্রতিনিধি ।
(১)প্রঃ – আচ্ছা ডাক্তার বাবু “হাইপার টেনশান”রোগ টা অথবা সমস্যা টা আসলে কী? যদি একটু বলেন ?
(উঃ) প্রথমেই বলি যে,একজন সুস্হ মানুষের স্বাভাবিক রক্ত চাপ যা থাকার কথা ,তার থেকে যদি “সিস্টোলিক”ও “ডায়াস্টোলিক” ব্লাড প্রেসার অনেকটাই বেশী থাকে ,তাকেই চিকিৎসা পরিভাষায় আমরা উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা বা “হাইপার টেনশান”বলে থাকি।
(২)প্রঃ-“হাইপার টেনশান ”কী কী কারণে হয়?
(উঃ) এই সমস্যা বিভিন্ন কারনে হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ গুলি হলো যথাক্রমে ঃ–ক)অতিরিক্ত ধূমপান বা মদ্যপান করার ফলে।
খ) অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং বংশগত কারণ।
গ) অতিরিক্ত কাঁচা লবন খাওয়া এবং মাথায় টিউমার হলে।
ঘ) ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের এবং রক্তের বিভিন্ন রোগের ফলে এই রোগ হতে পারে।
ঙ) কিডনীর গোলযোগ এবং শরীরে হরমোনের কোন সমস্যা থেকেও হতে পারে।
চ) কোন কারনে রক্তবাহী নালী গুলোর দেওয়াল মোটা হয়ে গেলে।
ছ)গর্ভ নিরোধক বড়ি অথবা স্টেরয়েড জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়ার ফলে।
জ) ইত্যাদি —ইত্যাদি —- কারণ।

(৩)প্রঃ- এই রোগ থেকে বাঁচার উপায় কী ?
উঃ) একটা খুব প্রচলিত কথা আছে যে , “প্রভেনশান ইজ বেটার দ্যান কিওর ”। তাইতো নিম্ন লিখিত বিষয় গুলির উপর গূরুত্ব দিলে এই য়োগ সহজেই এড়ানো সম্ভব । যেমধ—(ক)
চর্বি জাতীয় খাবার খাসির মাৎস ডিম মাখন বড় মাছ খাওয়া বর্জন করা উচিৎ। ছোটমাছ শাকসব্জি খাওয়া ভালো।
(খ) শরীরের ওজন যেন না বাড়ে। নিয়মিত যোগাযোগ অথবা নিয়ম মাফিক সকালে হাঁটাí
(গ) কাঁচা লবন একদম খাওয়া উচিৎ নয়।
(ঘ) মানসিক দুশ্চিন্তা ধূমপান সহ মদ ত্যাগ করা প্রয়োজন ।
(ঙ) অনেক উঁচু জায়গা তথা সিঁড়ি দিয়ে বেশি ওঠানামা না করা।
(চ) ডায়াবেটিস থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যথোপযুক্ত চিকিৎসা করা প্রয়োজন।

(৪) প্রঃ- হাইপার টেনশান থেকে কী কী অসুখ হতে পারে?
(উঃ) আমার মনে হয় প্রতিটা সুস্হ মানুষের উচিৎ মাসে অন্তত একবার রক্তের চাপ মাপা। কারণ রক্তের চাপ সম্পর্কে সঠিক পরিমাপ ঠিক মত জানা না থাকলে শরীরের প্রতি অনিয়ম এবং অত্যাচার চলতেই থাকবে। আর রক্তের চাপ যদি নিয়ন্ত্রনে না থাকে তাহলে শরীরে অনেক অর্গানে ক্ষতি করতে পারে।

(৫)প্রঃ- শরীরে কী কী ক্ষতি হতে পারে ,যদি একটু বলেন?
উঃ- ক) কিডনীর অসুখ । (খ) মস্তিষ্কের অসুখ (গ) হার্টের অসুখ ।
(৬)প্রঃ- হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এই সমস্যায় কেমন কাজ করে ?
উঃ) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা হল লক্ষণগত চিকিৎসা পদ্ধতি। সঠিক ভাবে মায়াজমেটিক কিংবা কজেশান অনুযায়ী চিকিৎসা করলে আশাতীত সাফল্য পাওয়া যায়। বহু রোগী ভালো আছেন। নিয়মিত ভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে বহু সেরে যান।

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ-
*********************
ডাঃ তারক মজুমদার।
কলকাতা ইমিউনো মেডিকেয়ার এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট ।
২/১ ছকু খানসামা লেন। কলকাতা –৭০০০০৯ (শিয়ালদহ জগৎ সিনেমা হলের পাশে। ) সময়ঃ-প্রতি সোমবার দুপুর ১২- ২টা।
মো-৯৩৩৯৭৭৩৬২৪ / ৯৯০৩৮৬০৩৯৪
*************************

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Powered by KTSL TECHNOLOGY SERVICES PVT LTD(7908881231).